এসব প্রোফাইলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নারীদের ছবি বিকৃত ও যৌন আবেদনময়ী হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বিষয়টি সবার সামনে নিয়ে এসেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ডাউন সিনড্রোম রোগে আক্রান্ত নারীদের কৃত্রিম ছবি তৈরি করে সেগুলোকে কুরুচিপূর্ণভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এমনকি হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী বা শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকা নারীদের ছবিও এসব প্রোফাইলে দেখা গেছে। এর মধ্যে একটি ভুয়া প্রোফাইল মাত্র কয়েক মাসে চার লাখ অনুসারী সংগ্রহ করেছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের মর্যাদা ক্ষুন্ন করা এবং তাদের বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রে আসল মানুষের ছবি ব্যবহার করে এ ধরনের ছবি তৈরি করা হচ্ছে, যা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন।
এ বিষয়ে মেটা জানিয়েছে, তারা আপত্তিকর অ্যাকাউন্টগুলো খতিয়ে দেখছে। প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে হেয় করা বা যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট প্রচার করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। অন্যদিকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই প্লাটফর্মগুলোর সুরক্ষা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা প্রয়োজন।










