গেমিং ও স্নিকার সংস্কৃতির অভিনব মেলবন্ধন সামনে এনেছেন সিঙ্গাপুরের ডিজাইনার গুস্তাভো বোনজানিনি। ভিডিও গেম জায়ান্ট সুপার নিনতেন্দো এন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেমের (এসএনইএস) ৩৫তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এয়ার এসএনইএস নামে জুতার নকশা করেছেন তিনি। এ কাস্টমাইজ জুতার জন্য গুস্তাভো বেছে নিয়েছেন নাইকি এয়ার ম্যাক্স ৯০-এর জনপ্রিয় একটি সংস্করণ, যার ডিজাইনে এসএনইএসের সিগনেচার কালার ধূসর ও বেগুনি ব্যবহার রয়েছে।

জুতার সামনের নরম চওড়া অংশে (টং) বসানো রয়েছে প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে পরিধানের পাশাপাশি প্লেয়েবল এসএনইএস কনসোল হিসেবে কাজ করবে স্নিকার জোড়া। অবশ্য নাইকির ডিজাইনের সঙ্গে নিনতেন্দোর প্রচলিত কনসোল পুরোপুরি মানিয়ে গেছে এমন নয়। কনসোল ও কার্টরিজ বড় হওয়ায় কিছুটা কৌশল অবলম্বন করেছেন গুস্তাভো বোনজানিনি। গেম নিয়ন্ত্রণে রাসবেরি পাই জিরো ডব্লিউ ও রেট্রোপাই ইমুলেটর ব্যবহার করেছেন তিনি। ছোট আকার, স্বল্প শক্তি ও সাশ্রয়ী দাম মিলিয়ে রাসবেরি পাই জিরো ডব্লিউ নামের মিনি কম্পিউটার বোর্ড জুতার টংয়ের সঙ্গে মানিয়ে গেছে। এছাড়া এতে রয়েছে টানা ৩০ মিনিট ব্যবহার উপযোগী ব্যাটারি।

কাস্টমাইজ এ জুতাকে টিভিতে নিনতেন্দো গেম খেলার জন্য আরসিএ বা মিনি এইচএমআই হিসেবে ব্যবহার করা যায়। মূল এসএনইএস গেমপ্যাডও ব্যবহার করা যায়। ওয়্যারলেস কন্ট্রোলার সংযুক্ত হয় ব্লুটুথের মাধ্যমে।

অবশ্য বিশেষায়িত এয়ার এসএনইএসকে বিক্রির জন্য বানানো হয়েছে ভাবলে ভুল করা হবে। বরং এটি একটি ক্যাজুয়াল আর্ট প্রজেক্ট। শৌখিন উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ করা হলেও ভবিষ্যতে ভিডিও গেম ও স্নিকারের মেলবন্ধন কেমন হতে পারে, তা তুলে ধরা হয়েছে এতে।

১৯৯০ সালে জাপানে সুপার ফ্যামিকম নামে প্রথমবার প্রকাশ হয় এসএনইএস। তখন এটি ছিল হালকা ধূসর রঙের গেমিং ডিভাইস। পরের বছর উত্তর আমেরিকায় বাজারজাতের সময় কিছু পরিবর্তন ঘটে। হালকা ধূসর হয়ে ওঠে ধূসর-বেগুনি রঙ। এয়ার এসএনইএসের কাস্টমাইজ ডিজাইনটিও এর ওপরে ভিত্তি করেই তৈরি করা হয়েছে। খবর ও ছবি পকেট লিন্ট