লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) কমতে শুরু করেছে তামার দাম। দুর্বল চাহিদার প্রভাবে সর্বশেষ কার্যদিবসে ধাতুটির বাজারদরে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, তামার উৎপাদন ও ব্যবহারের দিক থেকে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ চীন। সম্প্রতি দেশটির অর্থনীতির চাকা শ্লথ হয়ে পড়েছে। তার ওপর সম্ভাব্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে তামার চাহিদা কমছে।
তথ্য বলছে, এলএমইতে তিন মাসের সরবরাহ চুক্তিতে তামার দাম ১ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৮ হাজার ৯৮২ ডলারে। কার্যদিবসের শুরুতে পণ্যটির দাম গত বছরের অক্টোবরের চেয়েও কমে যায়। চলতি সপ্তাহে ধাতুটির দাম কমেছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ।
লন্ডনভিত্তিক ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের প্রধান পণ্যবাজার অর্থনীতিবিদ ক্যারোলেইন বেন বলেন, মুদ্রানীতিতে সংকোচন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপ ধাতব পণ্যের চাহিদায় নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি করেছে।
২০২০ সালের পর শেয়ারবাজারগুলোও তাদের সবচেয়ে খারাপ সপ্তাহের দিকে এগোচ্ছে। কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পলিসিতে সংকোচন আনছে। ফলে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির আশায় বিনিয়োগের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে।
গত মাসে চীনে পরিশোধিত তামা উৎপাদন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ১০ হাজার টনে। দুর্বল চাহিদা ও ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদনের কারণে ধাতুটির আমদানি স্থিতিশীল রয়েছে। শুল্ক বিভাগের তথ্য জানায়, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে চীন ১৯ লাখ ৪০ হাজার টন তামা আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি মাত্র দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে।










