উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও সুদহারের প্রভাব পড়েছে তুরস্কের আবাসন খাতে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দেশটির আবাসন খাতে লেনদেন ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনামূলক কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে বিদেশী নাগরিকদের সম্পদ কেনার হার কমেছে প্রায় অর্ধেক। খবর আনাদোলু।
গত সপ্তাহে তুরস্কের পরিসংখ্যান অফিস জানায়, জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ৯৭৪টি বাড়ি বিক্রি করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কম।
সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কে বিদেশীদের সম্পত্তি কেনার বিষয়ে উৎসাহ দিচ্ছে দেশটির সরকার। কিন্তু জুনে ১ হাজার ৪৪০টি বাড়ি কিনেছেন বিদেশীরা, যা ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ কম।
বিদেশীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ি বিক্রি হয়েছে আন্টালিয়া, ইস্তানবুল ও ভূমধ্যসাগরীয় শহর মারসিনে। এখানে বিক্রি হয়েছে যথাক্রমে ৫৯৩, ৪৭৮ ও ১১৬টি বাড়ি।
জাতীয়তা হিসেবে জুনে সবচেয়ে বেশি বাড়ি কিনেছেন রাশিয়া, ইরান ও ইউক্রেনের নাগরিকরা। পরিসংখ্যান অফিসের তথ্যানুযায়ী, এর মধ্যে ৩৩২ রুশ, ১৫৬ ইরানি ও ১০২ ইউক্রেনীয় নাগরিক তুরস্কে বাড়ি কিনেছেন।
বছরের প্রথমার্ধে ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় তুরস্কে বিদেশীদের কাছে বাড়ি কেনার হার কমেছে ৪৫ দশমিক ৭ শতাংশ, মোট ১০ হাজার ৪৬১ ইউনিট।
জুনের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, আবাসন বিক্রিতে সিংহভাগ অংশজুড়ে রয়েছে তুরস্কের অন্যতম শহর ইস্তানবুল। একই মাসে ২০২৩ সালের জুনের তুলনায় বন্ধকীকৃত বাড়ি বিক্রির প্রায় অর্ধেকে নেমে আসে। প্রতিবেদন অনুসারে, আগের বছরের তুলনায় ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ কমে জুনে বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার ৮১৩ ইউনিট। মোট বিক্রির ক্ষেত্রে বন্ধকি আবাসনের পরিমাণ ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ।










