বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি বারাকা পাওয়ারের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ৩’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বারাকা পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বারাকা পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বারাকা পাওয়ারের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বারাকা পাওয়ার। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৯৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বারাকা পাওয়ার। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৩ পয়সায়।

২০১১ সালে বারাকাতুল্লাহ ইলেকট্রো ডাইনামিকস লিমিটেড (বিইডিএল) নামে পুঁজিবাজারে আসে বর্তমান বারাকা পাওয়ার। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৪০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৩৫ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২০৬ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬১। এর ২৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৫৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।