জুনে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাজ্য অপ্রত্যাশিতভাবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবে এটি এখনো ২০১৯ সালের শেষের দিকে তার কভিডপূর্ব স্তরে ফিরে আসতে সক্ষম হয়নি। দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থনীতি দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। রয়টার্সের জরিপে দশমিক ২ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাসের চেয়ে জুনে মাসিক প্রবৃদ্ধি দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। খবর রয়টার্স।
অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস জানায়, মের তুলনায় জুনে উৎপাদন বাড়ার কারণ ব্যবসায়ীরা মে মাসে অতিরিক্ত জাতীয় ছুটি দিয়েছে। স্টার্লিংয়ের উত্থানের খবরে অর্থমন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি মোকাবেলা করার জন্য আমরা যেসব পদক্ষেপ নিচ্ছি, তা ধীরে ধীরে কার্যকর হতে শুরু করেছে। অর্থাৎ আমরা অর্থনীতি বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করতে পেরেছি।’
যদিও যুক্তরাজ্য এখন পর্যন্ত ইউরো জোনের মতো মন্দায় আক্রান্ত হওয়াকে এড়িয়ে গেছে, তবে ডাটা দেখাচ্ছে কভিড-১৯ মহামারী শুরু হওয়ার পর তুলনামূলকভাবে খারাপ পারফরম্যান্স করেছে।
যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি এখন দ্বিতীয় প্রান্তিকে ২০১৯ সালের শেষের দিকের স্তরের চেয়ে দশমিক ২ শতাংশ নিচে দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে জার্মানির প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে দশমিক ২ শতাংশ, ফ্রান্সের জন্য ১ দশমিক ৭ শতাংশ, ইতালির জন্য ২ দশমিক ২ শতাংশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ৬ দশমিক ২ শতাংশ।










