দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারের সঙ্গে সমানতালে দেশে বাড়ছে গবেষণার পরিধি ও গবেষকদের কদর। অথচ, ইন্ডাস্ট্রির চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় গবেষক তৈরি হচ্ছে না। এ অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করছে স্টেট ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম, কমিউনিকেশন ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ। চালু করেছে আধুনিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয়েছে সিআইসিজি (সেন্টার ফর ইনোভেশন, কমিউনিকেশন অ্যান্ড গভর্নেন্স)। 

সিআইসিজির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ। গবেষণার মতো গুরুগম্ভীর একটি বিষয় এখানে সহজ করে হাতে-কলমে শেখানো হয়। ফলে অনেক শিক্ষার্থীই ভবিষ্যতে গবেষণা ও উন্নয়ন পেশায় ক্যারিয়ার গঠনের স্বপ্ন দেখছেন। এই প্রতিষ্ঠান থেকে ভবিষ্যতে মানসম্মত অনেক গবেষক ও উন্নয়ন কর্মী তৈরি হবে এমন স্বপ্ন দেখছেন সেন্টারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। 

বিভাগটির প্রধান অধ্যাপক মো. সামসুল ইসলাম বলেন, ‘দ্রুতই দেশ-বিদেশে বাড়ছে গবেষণার ক্ষেত্র ও পরিধি। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেই মানের গবেষক তৈরি হচ্ছে না। আমরা এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাই। আমাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিতে হাতে-কলমে গবেষণা শেখার সুযোগ থাকবে। আমরা চাই এখান থেকে যেন মানসম্মত গবেষক ও কনসালট্যান্ট তৈরি হয়ে দেশের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।’ 

তা ছাড়া, দেশের ক্রমবর্ধমান মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির কথা বিবেচনায় রেখে মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট তৈরিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভাগটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক মিডিয়া ল্যাব ও দক্ষ জনবল যেখানে ভিডিও এডিটিং থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফির মতো ব্যবহারিক বিষয়গুলো হাতে-কলমে শেখানো হয়। এ ছাড়া, যাদের টেলিভিশন সাংবাদিকতা, সংবাদ উপস্থাপক, ফটোগ্রাফি কিংবা চলচ্চিত্র বিষয়ে গভীর আগ্রহ আছে তাদের জন্যও এই বিভাগে হাতে-কলমে শেখার নানাবিধ সুযোগ রয়েছে। 

স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ২০১৩ সালে জার্নালিজম, কমিউনিকেশন ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ চালু হয়। এই বিভাগ থেকে স্নাতক শেষ করে অনেকেই এখন সাংবাদিকতা, পাবলিক রিলেশন অফিসার, যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত। -বিজ্ঞপ্তি