গত মাসে শ্রীলংকার চা রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমেছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৮০ হাজার কেজিতে। যদিও মুদ্রার অবমূল্যায়নের কারণে খাতটি থেকে রুপিতে আয় বেড়েছে।

সিলন টি ব্রোকারের দেয়া তথ্যানুযায়ী, রুপিতে আয় বাড়লেও ডলারে আয় ৬ শতাংশ কমেছে। গত মাসে দেশটি চা রফতানি থেকে ১১ কোটি ৬৫ লাখ ডলার আয় করেছ।

অন্যদিকে রুপিতে আয় ৬৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। গত মাসে আয় এসেছে ৪ কোটি ১৯ লাখ রুপি। গত বছরের একই সময় যা ছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ রুপি।

তথ্য বলছে, জুনে ফ্রি অন বোর্ড চুক্তিতে প্রতি কেজি সিলন চায়ের গড় দাম বেড়ে ৪ ডলার ৯৪ সেন্টে উন্নীত হয়েছে। গত বছরের একই সময় যা ছিল ৪ ডলার ৫৯ সেন্ট।

গত মাসে প্রতি কেজি খোলা চা পাতার দাম বেড়ে ১ হাজার ৫১৬ দশমিক ১২ রুপিতে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময় যা ছিল ৭৮৭ দশমিক ৮ রুপি। মোড়কজাত চায়ের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১ হাজার ৬৭৭ দশমিক ৩৩ রুপি। গত বছরের একই সময় যা ছিল ৮৬২ দশমিক ৮৩ রুপি। ‘টি ব্যাগ’ চায়ের দাম ছিল ৩ হাজার ৭২ দশমিক ৭১ রুপি। গত বছরের একই সময় যা ছিল ১ হাজার ৫৭০ দশমিক ৪০ রুপি।

অন্যদিকে ইনস্ট্যান্ট টি কেজি প্রতি ২ হাজার ৮২৪ দশমিক ৩৪ রুপিতে বিক্রি হয়েছে। গত বছরের একই সময় যা ছিল ১ হাজার ৭৪১ দশমিক ৬৩ রুপি। গ্রিন টি’র দামও ২ হাজার ২৬৭ দশমিক ৮৯ রুপি থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৮৩১ দশমিক ৯৮ রুপিতে উন্নীত হয়েছে।

ইন্ডাস্ট্রি সংশ্লিষ্টদের দেয়া তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে শ্রীলংকার চা রফতানি ৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৫০ লাখ কেজিতে। গত বছরের একই সময় রফতানি হয়েছিল ১৩ কোটি ৬০ লাখ টন।

বছরের প্রথমার্ধে শ্রীলংকা ৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারের চা রফতানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ডলারে রফতানি আয় কমেছে ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। অন্যদিকে ছয় মাসে ১৬ হাজার ৪০০ কোটি রুপি আয় হয়েছে। গত বছরের একই সময় আয় হয়েছিল ১২ হাজার ৭০০ কোটি রুপি।