যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিপি ও শেল, এক্সনমবিলের মতো বৈশ্বিক জায়ান্ট কিংবা নরওয়েভিত্তিক ইক্যুইনর—সবগুলোই একদিক থেকে সমবিন্দুতে অবস্থান করছে। বিশ্বের অন্যান্য খাতের বৃহৎ কোম্পানিগুলো বড় অংকের লোকসান গুনলেও ব্যতিক্রম তেল কোম্পানিগুলো। প্রত্যেকেই বড় অংকের মুনাফার তথ্য জানিয়েছে। রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের পর তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সুবিধা ঘরে তুলেছে জ্বালানি জায়ান্টগুলো। বৃহৎ এ জ্বালানি জায়ান্টগুলো যখন বড় অংকের মুনাফা ঘরে তুলছে, তখন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বিল পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে লাখ লাখ মানুষ। রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার একদিনের মধ্যেই জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। গত মার্চে তা ১২৭ ডলারের রেকর্ড স্পর্শ করে। তবে সম্প্রতি তা ৮৫ ডলারে নেমে এসেছে। গত সপ্তাহে বিপি জানায়, ২০২২ সালে তাদের মুনাফা হয়েছে ২ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার। চলতি মাসের শুরুতে শেল জানায় গত বছর তাদের মুনাফা ১১৫ বছরের সর্বোচ্চে দাঁড়িয়েছে। ২০২২ সালে তাদের মুনাফা হয়েছে ৩ হাজার ৯৯০ কোটি ডলার, যা ২০২১ সালের চেয়ে দ্বিগুণ বেশি।
২০২২ সালে রেকর্ড আয় করেছে জ্বালানি জায়ান্টগুলো
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিপি ও শেল, এক্সনমবিলের মতো বৈশ্বিক জায়ান্ট কিংবা নরওয়েভিত্তিক ইক্যুইনর—সবগুলোই একদিক থেকে সমবিন্দুতে অবস্থান করছে।










