চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কমেছে অস্ট্রেলিয়ার স্বর্ণ উত্তোলন। মূলত কভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের প্রভাবকে উত্তোলন কমে যাওয়ার পেছনে দায়ী করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে মেলবোর্নভিত্তিক মাইনিং কনসালট্যান্ট সারবিটন অ্যাসোসিয়েটস এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় ৭৬ টন স্বর্ণ উত্তোলন হয়েছে। এর আগের প্রান্তিকে উত্তোলনের পরিমাণ ছিল ৮১ লাখ টন। সে হিসাবে উত্তোলন প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে।

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় স্বর্ণ উত্তোলন অঞ্চল পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া। কভিড-১৯ প্রতিরোধে আরোপিত বিধিনিষেধের কারণে অঞ্চলটির বেশির ভাগ খনিতে উত্তোলন ব্যাহত হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু অঞ্চলে তুলনামূলক আর্দ্র আবহাওয়া উত্তোলন কমে যাওয়ার পেছনে ভূমিকা পালন করেছে।

সারবিটনের পরিচালক ড. সান্ড্রা ক্লজ বলেন, সব অঞ্চলে উত্তোলনে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা একই রকম নয়। কিছু খনিতে উত্তোলন খুব বাজেভাবে ব্যাহত হয়েছে। আবার কোনোটিতে খুব বেশি প্রভাব পড়েনি। তবে উভয় ক্ষেত্রেই বৈরী আবহাওয়া ও কভিড-১৯ ভূমিকা পালন করে।

ক্লজ আরো বলেন, উত্তোলন ঊর্ধ্বমুখী রাখতে স্বর্ণ খাতের সঙ্গে জড়িতরা অসাধারণ কাজ দেখিয়েছেন। তবে বর্তমানে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সীমান্তগুলো বছরের টানা ৬৯৭ দিন পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ৩ মার্চ সীমান্ত খুলে দেয়া হয়। ফলে চলতি প্রান্তিকে পরিস্থিতি ইতিবাচক হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।