বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে কোরিয়ান উরি ব্যাংক। তিন দশকের এ পথচলায় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ব্যবসায়িক ও আর্থিক সম্পর্ক জোরদারে নিজেদের ভূমিকা তুলে ধরার পাশাপাশি ভবিষ্যতে গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা ও দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের প্রত্যয় জানিয়েছে ব্যাংকটি।

উরি ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করা প্রয়োজন। উরি ব্যাংকের বাংলাদেশে ৩০ বছরের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সেতুবন্ধ তৈরি করেছে।’ এখন সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইলেকট্রনিকস ও প্রসাধনীসহ সম্ভাবনাময় খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর সময় এসেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আইসিটি, ইলেকট্রনিকস ও কসমেটিকসসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্ববাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশ এসব খাতে আরো কোরিয়ান বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে।’ বাংলাদেশ-কোরিয়া সম্পর্ককে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে উরি ব্যাংক। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সেবা, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব ও গ্রাহকসেবার মাধ্যমে দেশের আর্থিক খাতে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ব্যাংকটি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জি জুন কিম, ইয়ংওয়ান করপোরেশনের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জংহিউক চোইসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উরি ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও সিইও জিন ওয়ান জং এবং বাংলাদেশে ব্যাংকটির কান্ট্রি ম্যানেজার জিন হুরও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উরি ব্যাংক বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশন ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ বাংলাদেশকে করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমের আওতায় অনুদানের চেক হস্তান্তর করেছে।