রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ২০২২ সালের প্রথমার্ধে রটারড্যাম বন্দর দিয়ে কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। সম্প্রতি বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রান্তিকে রাশিয়ার সরবরাহ কমেছে। খবর রয়টার্স।
কন্টেইনার পরিবহন ৮ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে আসায় পুরো ইউরোপের সর্ববৃহৎ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রফতানি ১ শতাংশেরও কম বেড়েছে। লজিস্টিকের সমস্যা এবং রাশিয়ার সঙ্গে কন্টেইনার আদান প্রদান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পণ্য উৎপাদনের কাঁচামালেও সংকট তৈরি হয়।
এক বিবৃতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, পাইপলাইনের মাধ্যমে রাশিয়ান গ্যাসের ইউরোপীয় আমদানি কমে যাওয়ার বিকল্প হিসেবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং কয়লা আমদানি দ্রুত বেড়েছে। বন্দরের তথ্যানুযায়ী, রটারডাম দিয়ে কয়লা সরবরাহ ৩০ শতাংশ বেড়ে ১ কোটি ৪৬ লাখ টন এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ৪৬ শতাংশ বেড়ে ৫৪ লাখ টনে পৌঁছেছে।
ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন চালানোর আগে রটারডাম বন্দর দিয়ে পণ্য চালানের ১৩ শতাংশ রাশিয়ান বাণিজ্যের অন্তর্গত ছিল। মস্কো এ অভিযানকে স্পেশাল মিলিটারি অপারেশন নাম দিয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি হামলা শুরুর আগে ৩০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল, ২৫ শতাংশ কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ রাশিয়া থেকে আসত।
বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোনো পরিমাণ প্রকাশ ছাড়াই রাশিয়ার কয়লা আমদানি কমার একটি চার্ট প্রকাশ করেছে। যেখানে রাশিয়ার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসেও নিম্নহার দেখা গেছে।
মার্চ থেকে রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আমদানি জুনের মোট পরিমাণের এক-চতুর্থাংশে নেমে এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার অধীনে ২০২২ সালের শেষ নাগাদ রাশিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে বলে জানা গেছে।










