ভয়াবহ সার সংকটের কারণে নেপালে চা উৎপাদন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ কারণে দেশটির রফতানি আয় ব্যাপক কমার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সারের অভাবে শুধু উৎপাদনই নয় বরং গুণগত মানও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এশিয়া নিউজ নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
নেপাল কফি ও চা উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য বলছে, দেশটি প্রতি বছর ২৫ হাজার টনের বেশি চা উৎপাদন করে। গুঁড়ো করা থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ পরিশোধন প্রক্রিয়া থেকে পরিমাণ দাঁড়ায় ১৯ হাজার টনে।
নেপালের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ৫০০ কোটি রুপির চা শিল্প। বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন সময় পার করছে খাতটি। দেশটির পূর্বাঞ্চলের চাষীরা ইউরিয়া সারের তীব্র সংকটের মধ্যে রয়েছেন, যা নাইট্রোজেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
গাছের পুষ্টি উপাদানের অভাবে উৎপাদন তলানিতে নামার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এর অর্থ হলো তাদের উপার্জন কমে যাবে। কঠিন হয়ে পড়বে জীবনযাপন করা।
দেশটির সরকার তিন বছর আগেই চা শিল্পে ভর্তুকি বন্ধ করে দিয়েছে। মূলত তার পর থেকেই উৎপাদকরা সারসহ গাছের পুষ্টি উপাদান সরবরাহে হিমশিম খাচ্ছেন।
কিছু চাষী নেপাল-ভারত সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে সার ক্রয় করছেন। এক্ষেত্রে তাদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।
চাষীরা বলছেন, সার সংকটের কারণে শুধু উৎপাদনই নয়, কমেছে চায়ের গুণগত মানও। প্রতি বছরই সার সংকটের মুখোমুখি হতে হয় তাদের। তবে তিন বছর ধরে পরিস্থিতি খুবই বাজে আকার ধারণ করেছে। চলতি মাসে সংকটের কারণে উৎপাদন ৩০ শতাংশ কমতে পারে।










