খরার কারণে চলতি বছর কানাডায় গম উৎপাদন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আবাদ বাড়লেও ২০২৩-২৪ মৌসুমে কানাডায় গম উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ কমতে পারে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৫০ হাজার টনে।
এফএএসের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, কানাডার আলবার্ট ও সাসকাচুয়ান অঙ্গরাজ্যে মাটির আর্দ্রতা আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। ফলে সেখানে শস্যটির উৎপাদন ব্যাপক মাত্রায় ব্যাহত হয়েছে, যা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে মোট উৎপাদনে।
এদিকে উৎপাদন কমলেও ভাঙানো গমের পরিমাণ সাম্প্রতিক বছরগুলোর গড়ের কাছাকাছিই থাকবে বলে জানিয়েছে এফএএস। কারণ দেশটিতে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য স্থিতিশীল রয়েছে। এছাড়া দেশটিতে পশুখাদ্যের নিম্নমুখী চাহিদাও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৩-২৪ মৌসুমের প্রথমার্ধে দেশটির গম রফতানি শক্তিশালী থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এফএএস। তবে পুরো বছরের রফতানি ৯ শতাংশ কমে যেতে পারে। কারণ এ সময় রফতানিযোগ্য গমের সরবরাহ থাকবে তুলনামূলক কম।










