তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি দেশ গার্মেন্টস লিমিটেডের ক্যাটাগরি এ থেকে বিতে অবনমন হয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করায় ক্যাটাগরির অবনমন হয়। ২৫ জানুয়ারি থেকে এটি কার্যকর হবে। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৮ টাকা ৬ পয়সায়।
কোম্পানিটির সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ৩১০ জুন ২০২৩ সময়ের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ওয়াসো ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি লিমিটেড।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে দেশ গার্মেন্টস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৯ টাকা ৪৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৯ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে ৩ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটি।
দেশের রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের পথিকৃৎ দেশ গার্মেন্টস ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮২ লাখ ৮৮ হাজার ৩৪২। এর মধ্যে ৫৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী কাছে ২ দশমিক ৮২ ও বাকি ৪২ দশমিক ১৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে।










