বর্তমানে এ দেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সোর্সিংয়ের মূল্য ৭৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি। এছাড়া বিগত পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে এলপিপির মোট সোর্সিংয়ের আর্থিক মূল্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। ইউরোপীয় রিটেইল খাতের প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সম্প্রতি এ তথ্য জানানো হয়।
২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশে পোশাক সোর্সিং করে আসছে এলপিপি। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটে। ওই বছর এলপিপির ক্রয়াদেশের আর্থিক মূল্য আগের বছরের চেয়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পায়।
২০২৪ সাল থেকে এলপিপি বাংলাদেশের পোশাক খাতের অষ্টম বৃহত্তম ক্রেতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অবস্থান করছে, যার ক্রয়াদেশের মূল্য দেশের মোট পোশাক রফতানির প্রায় ২ শতাংশ।
বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তার মান উন্নয়নেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে এলপিপি। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ডের সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছে। বাংলাদেশে কারখানার নিরাপত্তা উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগে এখন পর্যন্ত এলপিপি ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে।
দীর্ঘদিনের উপস্থিতি ও বৃহৎ পরিসরের সোর্সিং কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের পোশাক শিল্পে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখছে এলপিপি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের সাড়ে ৩ শতাধিক পোশাক কারখানার সঙ্গে কাজ করছে, যা মোট রফতানিমুখী পোশাক কারখানার প্রায় ৮ শতাংশ।










