জমি বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম যুক্ত করেছে হংকং সরকার। কার্যত শহরটির সব জমিরই মালিক সরকার, তার পরও তা বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক কিছু ধারা যুক্ত করা হয়েছে। একটি সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, হংকংয়ের জমি কিনতে আগ্রহী এমন ক্রেতা বা ক্রেতার মূল কোম্পানির যদি জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ইতিহাস থাকে, তাহলে তিনি জমি কেনার যোগ্যতা হারাবেন। গত আগস্টে হংকং সরকার জমি কেনাসংক্রান্ত একটি নীতি প্রণয়ন করে। সেখানে জাতীয় নিরাপত্তার ইস্যুটি যুক্ত করা হয়। চলতি সপ্তাহে হংকং ইকোনমিক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি প্রকাশ পায়। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বরে কাই তাস এলাকার একটি জমির টেন্ডারের সময় প্রথম নিয়মটি ব্যবহার করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে হংকংয়ের আবাসন খাতের বড় ব্যবসায়ী ও ধনকুবেরদের সুরক্ষিত করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৮৪০ সালে ঔপনিবেশিকতার অধীনে প্রবেশের পর থেকেই ভূমি হংকংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ১৭৩ বছর বয়সী সেন্ট জনস ক্যাথেড্রাল ছাড়া শহরটির বাকি জমি সরকারের মালিকানাধীন। হংকং সরকারের রাজস্বের সিংহভাগ আসে জমির নিলাম থেকে। জমির জন্য দেয়া প্রিমিয়াম ও স্ট্যাম্প শুল্ক থেকে সরকারের এক-তৃতীয়াংশ আয় আসে। ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে
হংকংয়ে জমি বিক্রির নতুন নিয়ম
জমি বিক্রির ক্ষেত্রে নতুন কিছু নিয়ম যুক্ত করেছে হংকং সরকার। কার্যত শহরটির সব জমিরই মালিক সরকার, তার পরও তা বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক কিছু ধারা যুক্ত করা হয়েছে।










