জাপানের অর্থনীতি জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকে ১ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। প্রবৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে ছিল শক্তিশালী রফতানি। পূর্বাভাসে দেশটির প্রবৃদ্ধি দশমিক ৮ শতাংশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এমন পারফরম্যান্স জাপানের অর্থনৈতিক গতিপথকে টানা তিন প্রান্তিকে  সম্প্রসারণ করেছে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে। 

জাপানের সরকারি তথ্যানুযায়ী, দেশের রফতানি শুধু শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদাজনিত দুর্বলতার চলমান প্রতিবন্ধকতাও তুলে ধরছে। দেশটির পরিবারগুলো যখন ক্রমবর্ধমান দামের সঙ্গে লড়াই করছে, তখন রফতানিচালিত প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও স্থানীয় ব্যয় ভঙ্গুর রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানান, অটোমোবাইল খাতে সরবরাহ সংকট কমানো ও ইয়েনের অবমূল্যায়নের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে আনার কারণে জাপানের রফতানি পুনরুদ্ধার হয়েছে। মহামারী-পরবর্তী চাহিদা ও মূলধন বিনিয়োগ বৃদ্ধি জাপানের অর্থনীতিতে একটি অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।

সুমি ট্রাস্টের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হিরোয়ুকি উয়েনো প্রবৃদ্ধির অবদানের কারণগুলো তুলে ধরে জানায়, মহামারী-পরবর্তী চাহিদা বৃদ্ধি ও মূলধন বিনিয়োগ বৃদ্ধি অর্থনীতিকে চাঙ্গা করছে। এছাড়া হসপিটালিটি খাতের উন্নতির তাৎপর্যও তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি মহামারীর প্রকোপ কমার সঙ্গে অভ্যন্তরীণ পর্যটন বাড়ার কারণে অর্থনৈতিক চালিকা শক্তি চলমান থাকবে বলে পূর্বাভাস করেন।