যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি কমে আসছে, সেই সঙ্গে শক্তিশালী হয়ে উঠছে শ্রমবাজার। সব মিলিয়ে চলতি মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দেশটির ভোক্তাদের জন্য বেশ ইতিবাচক ছিল। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের করা এক জরিপের ফলাফলে এমন তথ্য উঠে এসেছে। খবর সিএনএন বিজনেস।
জরিপ বলছে, প্রাথমিক ভোক্তা মনোভাব সূচক জানুয়ারির ৬৪ দশমিক ৯ থেকে বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে ৬৬ দশমিক ৪ হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারির পরে এবারই সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া গেল। সেবার সূচক ছিল ৬৭ দশমিক ২-এর ঘরে।
অর্থনৈতিক তথ্য সরবরাহকারী রেফিনিটিভের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্থনীতিবিদদের ধারণা ছিল, মূল সূচক সামান্য বেড়ে ৬৫ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভেস অব কনজিউমারসের ডিরেক্টর জোয়ান্না সু বলেন, ‘সম্প্রতি মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে আসায় এবং অর্থনৈতিক বেশকিছু বিষয় বিশেষ করে কর্মক্ষেত্র শক্তিশালী হতে থাকায় ভোক্তার মনোভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে। গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ৫ লাখ ১৭ হাজার নতুন চাকরি যুক্ত হয়েছে। এ সময়ে বেকারত্বের হার কমে এসেছে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে, যা ১৯৬৯ সালের পরে সর্বনিম্ন।’
সু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভোক্তারা বিশ্বাস করেন তাদের আয় এমন ভালোই থাকবে। তাই আমার মনে হয় এর মাধ্যমেই ভোক্তার মনোভাব উন্নত হচ্ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে তাদের খরচ করার প্রবণতা।’
তার পরও অনিশ্চয়তার ভয় রয়ে গেছে অনেক ভোক্তার মধ্যেই। তারা জানেন না সামনে কী আসতে যাচ্ছে। ভোক্তার মনোভাবের এই সূচক পরিমাপে বর্তমানে অর্থনৈতিক অবস্থা ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। তবে ভোক্তার প্রত্যাশার সূচক যেখানে এক বছরে বা পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতি কোন পর্যায়ে যাবে তা বলা হয় সেটা ৬২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমে ৬২ দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে।










