অ্যাডনকের ইন্টিগ্রেটেড গ্যাস প্রসেসিং ইউনিট তৃতীয় প্রান্তিকে ১১১ কোটি ডলারের বেশি নিট আয় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১১৬ কোটি ডলারের চেয়ে সামান্য কম। তবে প্রান্তিক ভিত্তিতে ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ আয় বেড়েছে। বাজারে অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটি স্থিতিশীল আয়ের মার্জিন বজায় রেখেছে এবং উচ্চ মার্জিনে জ্বালানি রফতানি করার দিকে মনোনিবেশ করেছে। খবর দ্য ন্যাশনাল নিউজ।

জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে আয় ৫৮০ কোটি ডলারের বেশি পৌঁছেছে, যা উন্নত বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভোক্তা ও ভূরাজনৈতিক চাপে থাকা একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও অ্যাডনক শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান ধরে রেখেছে।

আগামী ২৫-৩০ বছরের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের বৈশ্বিক চাহিদা ২৫ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে খাতসংশ্লিষ্টরা। পাশাপাশি অ্যাডনক চাহিদা বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় তার উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ করবে। তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি স্থিতিস্থাপকতা ও বাজারের প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বড় আকারে আয় তৈরিতে সক্ষম হয়েছে।

অ্যাডনক বছরের প্রথম নয় মাসে ৩৩৭ কোটি ডলার নিট আয় করেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩৭১ কোটি ডলার।

 এ সময় কোম্পানিটির আয় দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৩ কোটি ডলার। অ্যাডনক গ্যাস ২০৪৫ সালের মধ্যে নিট শূন্য কার্বন নির্গমন অর্জনের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। ২০২৩ সালের প্রথম নয় মাসে প্রতিষ্ঠানটি কার্বন ক্যাপচার ইউনিট নির্মাণসহ ৫৬০ কোটি ডলারের চুক্তির মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি কৌশলে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

অ্যাডনক চলতি বছর ৯০০ কোটি ডলার থেকে ১২০০ কোটি ডলার মূল্যের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এসব চুক্তির মধ্যে রয়েছে জাপান পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড, ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড, পেট্রোচায়না ইন্টারন্যাশনাল ও জেরা গ্লোবাল মার্কেটস।

অপারেশনাল সাফল্যের পাশাপাশি অ্যাডনক গ্যাস ১৬২ কোটি ডলারেরও বেশি অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন করেছে, যা আগামী ১৪ ডিসেম্বর বিতরণ করা হবে। ২০২৪-২৭ সাল পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি বার্ষিক লভ্যাংশ প্রদান ৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা বিনিয়োগের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের রিটার্নে স্থিতিশীলতার আস্থা তৈরি করছে।