মিয়ানমারে ১ অক্টোবর নতুন অর্থবছর শুরু হয়েছে। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (অক্টোবর ও নভেম্বর) দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঁচ লাখ টনের বেশি চাল রফতানি হয়েছে। এ সময় খাদ্যপণ্যটি রফতানি বাবদ মিয়ানমারের আয় সাড়ে ১৯ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মিয়ানমার রাইস ফেডারেশন এ তথ্য জানিয়েছে। খবর সিনহুয়া ও এগ্রিমানি।

চাল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় মিয়ানমারের অবস্থান সপ্তম। মিয়ানমার রাইস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে মিয়ানমার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ৫ লাখ ২০ হাজার ৮৮৪ টন চাল রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৭ টন সাধারণ চাল। বাকি ১ লাখ ৭৫ হাজার ২৮৭ টন ভাঙা চাল।

প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিন্ট লুইন বলেন, ২০২০-২১ অর্থবছরের শুরুতে মন্দার মুখে পড়েছে মিয়ানমারের চাল রফতানি খাত। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে খাদ্যপণ্যটির রফতানি আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টন কমেছে।

২০২০-২১ অর্থবছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে চাল রফতানি করে মিয়ানমার সব মিলিয়ে ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার আয় করেছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে মিয়ানমার রাইস ফেডারেশন। এ সময় দেশটি থেকে রফতানি হওয়া চালের ৭১ দশমিক ৫৩ শতাংশ সমুদ্রপথে রফতানি গন্তব্যে গেছে। বাকি ২৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ চাল রফতানি হয়েছে স্থল সীমান্তপথে প্রতিবেশী দেশগুলোয়।

মিন্ট লুইন আরো বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মিয়ানমার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ২৫ লাখ টনের বেশি চাল রফতানি হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটি চাল রফতানির লক্ষ্য পূরণে সক্ষম হয়েছে।

এদিকে মিয়ানমারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ট্রেড প্রমোশন বিভাগের পরিচালক মিও থু বলেন, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে সব মিলিয়ে ২০ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।