ঘোষিত এ লভ্যাংশ এরইমধ্যে বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে সিটি ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ২৪ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ১৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সিটি ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সায়।

২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬৮ কোটি ১৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

রির্জাভে রয়েছে ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৮১ লাখ ৬৬ হাজার ১২২। এর ৩৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৯ দশমিক ৩৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।