চলতি মাসে লাওসে নতুন যাত্রী পরিষেবা চালু করেছে থাইল্যান্ডের জাতীয় রেলওয়ে সংস্থা এসআরটি। এটি দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় রেল নেটওয়ার্কের সর্বশেষ সংযোজন, যার মাধ্যমে চীনের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বৃদ্ধির আশা করা হচ্ছে। ব্যাংকক-ভিয়েনতিয়েনের এ রেলপথে কাস্টমস চেকসহ দুই রাজধানীকে সংযুক্ত করা ৬৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ১২ ঘণ্টা। তিন ধরনের আসন বিন্যাসে যাত্রীদের একমুখী ভ্রমণে ৮-২৪ ডলার পর্যন্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। এসআরটি চীন থেকেও পর্যটন চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছে। ভিয়েনতিয়েন স্টেশন থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে লাওসের সর্বশেষ রেল স্টপেজ খামসাভাথ স্টেশন। এখানে রয়েছে দক্ষিণ চীনা শহর কুনমিং পর্যন্ত সম্প্রসারিত একটি উচ্চ গতির রেল সংযোগ। থাইল্যান্ডের কর্মকর্তাদের ধারণা, নতুন লাইনটি চীনা পর্যটকদের জন্য লাওস হয়ে ব্যাংককে যাতায়াত সহজ করবে। থাই সরকার এর আগেও বেইজিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নিয়েছিল। মূলত দেশীয় পণ্যের প্রচারের মাধ্যমে চীনা পর্যটকদের আকর্ষণ করতে চায় ব্যাংকক। চীনের সঙ্গে সংযুক্ত একটি পণ্যবাহী রেল নেটওয়ার্কও তৈরি করছে থাইল্যান্ড। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রায়ং ও চীনের চেংদু, পাশাপাশি ব্যাংকক ও চীনের চংকিংয়ের মধ্যে কার্গো পরিষেবা শুরু হয়েছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা কাসিকর্নের পরিসংখ্যান অনুসারে, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্য দিয়ে চীনে পৌঁছানো থাই পণ্যের মূল্য ২০২৩ সালের তুলনায় চলতি বছরে ১৭ শতাংশ বেড়ে ৬৮৮ কোটি ডলারে পৌঁছবে। খবর ও ছবি নিক্কেই এশিয়া
থাইল্যান্ড-লাওস রেলপথ ঘিরে বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রত্যাশা
চলতি মাসে লাওসে নতুন যাত্রী পরিষেবা চালু করেছে থাইল্যান্ডের জাতীয় রেলওয়ে সংস্থা এসআরটি।










