কানাডিয়ান খনিজ কোম্পানি ইভানহো
মাইনসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী চেয়ারম্যান রবার্ট ফ্রিডল্যান্ড সম্প্রতি লন্ডনে
অনুষ্ঠিত মাইনস অ্যান্ড মানি কনফারেন্সে বলেন, ভবিষ্যতে তামার বাজারে চিলির বিকল্প
হতে যাচ্ছে কঙ্গো। এ সময় তিনি বলেন,
এ মুহূর্তে খনিজ খাতে বিনিয়োগে চিলি একটি ভয়ানক
জায়গা। এক্ষেত্রে কঙ্গো সত্যিই দুর্দান্ত।
তিনি বলেন, বিশ্বের
শীর্ষ তামা উৎপাদনকারী দেশ চিলির উৎপাদন দিন দিন কমছে। আগের বছরের একই সময়ের
তুলনায় এবার দেশটিতে ধাতব পণ্যটির উত্তোলন কমেছে দশমিক ৫ শতাংশ। অক্টোবরের প্রথম
দিকে দেশটিতে মেট্রোর ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে দেশটির খনিগুলো
অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় ব্যবহারিক ধাতুটির উত্তোলন হ্রাস পেতে শুরু করে। দেশটির সরকার
বিদ্যমান অস্থিরতা কাটাতে ব্যস্ত সময় পার করছে। এর বিপরীতে কঙ্গোতে বিশ্বের
দ্বিতীয় শীর্ষ তামা খনি প্রকল্পের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলেছে। ২০২১ সাল নাগাদ এ খনি
থেকে পণ্যটি উত্তোলন সম্ভব হবে।
এদিকে, তামার বৈশ্বিক উৎপাদন দশমিক ৫ শতাংশ
কমেছে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কপার স্টাডি গ্রুপ (আইসিএসজি)। এতে বেশ কিছুদিন ধরেই ধাতব পণ্যটির আন্তর্জাতিক
বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ ধারাবাহিকতায় লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জের (এলএমই) সর্বশেষ
কার্যদিবসের এক পর্যায়ে তিন মাসে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন তামার দাম দশমিক ১
শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ৯৩১ ডলার ৫০ সেন্টে উঠে যায়, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
সূত্র: ব্লুমবার্গ ও রয়টার্স









