২০২২-২৩ মৌসুমে কেনিয়ায় কফি উৎপাদন ১০ শতাংশ কমার পূর্বাভাস মিলেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে সাত লাখ ব্যাগে (প্রতি ব্যাগে ৬০ কেজি)। মূলত সারের ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে চাষীরা কফির আবাদ কমিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া যারা চাষ করেছেন তারাও পর্যাপ্ত সার প্রয়োগ করতে না পারায় উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সম্প্রতি মার্কিন কৃষি বিভাগের (্ইউএসডিএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
তথ্য বলছে, গত বছরের শুরুর দিকেই কভিড-১৯ মহামারীর প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বাড়তে শুরু করে সারের দাম। চলতি বছর রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে তুলেছে। কারণ রাশিয়া বিশ্বের শীর্ষ সার রফতানিকারক দেশ। এছাড়া সারের বাজারে ইউক্রেনেরও বড় হিস্যা রয়েছে।
বর্তমানে কেনিয়ায় ৫০ কেজির এক ব্যাগ সার ৬ হাজার শিলিংয়ে বিক্রি হচ্ছে। এক বছরের ব্যবধানে প্রতি বস্তায় দাম প্রায় ৭১ শতাংশ বেড়েছে।
তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে কেনিয়ায় কফি আবাদ অপরিবর্তিত থাকবে। এ সময় সব মিলিয়ে ১ লাখ ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদের সম্ভাবনা রয়েছে। আবাদ কমে যাওয়ার পেছনে কফিবীজ সংকটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ইউএসডিএ বলছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে কেনিয়ার কফি রফতানি অব্যাহতভাবে কমে ৬ লাখ ৭০ হাজার ব্যাগে নামতে পারে। এর আগের বছর রফতানির পরিমাণ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার ব্যাগ। নিম্নমুখী উৎপাদনই রফতানি কমে যাওয়ার পেছনে দায়ী।










