প্রথম বছরের দ্বিতীয় অর্ধবার্ষিকের জন্য ঘোষিত ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ হারে রিটার্ন
বিতরণ-সংক্রান্ত যোগ্য সুকুকধারী
বাছাইয়ে নির্ধারিত রেকর্ড ডেট শেষে আগামী সোমবার থেকে লেনদেনে ফিরতে যাচ্ছে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের গ্রিন-সুকুক আল ইসতিসনা। বৃহস্পতিবার এ রেকর্ড ডেটের কারণে
করপোরেট বন্ডটির লেনদেন বন্ধ ছিল।
এরই মধ্যে প্রথম অর্ধবার্ষিকের জন্যও সুকুকধারীদের ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ রিটার্ন
দিয়েছে করপোরেট বন্ডটির ট্রাস্টি।
পাঁচ বছর মেয়াদি এ সুকুকটির রিটার্ন ছয় মাস অন্তর প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে
রিটার্ন নির্ধারণ করা হবে ৯ শতাংশ ভিত্তিমূল্যের সঙ্গে মার্জিন যোগ করে। বেক্সিমকো
লিমিটেডের আগের বছরের বার্ষিক সাধারণ সভায়
(এজিএম) ঘোষিত লভ্যাংশ ও ভিত্তিমূল্যের ব্যবধানের ১০
শতাংশ মার্জিন হিসাবে নির্ধারণ করা হবে। যদি লভ্যাংশের হার ভিত্তিমূল্যের সমান বা
কম হয় তাহলে সেক্ষেত্রে ভিত্তিমূল্যের হিসাবে রিটার্ন প্রদান করা হবে। আর লভ্যাংশ
৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সঙ্গে যুক্ত হবে।
নিয়ম অনুসারে, বেক্সিমকো লিমিটেড সর্বশেষ
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে।
এক্ষেত্রে ভিত্তিমূল্য ৯ শতাংশ বাদ দেয়া হলে থাকে ২১ শতাংশ। ২১ শতাংশের ১০ শতাংশ
দাঁড়ায় ২ দশমিক ১০ শতাংশ। অন্যদিকে প্রথম বছরের প্রথম ও দ্বিতীয়ার্ধে সুকুকধারীদের
জন্য মোট সুপারিশকৃত রিটার্নের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। এর
সঙ্গে ২ দশমিক ১০ শতাংশ যোগ করা হলে দাঁড়ায় ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এটা হলো
সুকুকধারীদের এক বছরের সর্বমোট রিটার্ন।
সুকুকে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের শতভাগ বেক্সিমকো লিমিটেডের শেয়ারে রূপান্তরের
সুযোগ থাকছে। এক্ষেত্রে প্রতি বছর সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ হারে সুকুক শেয়ারে রূপান্তর
করা যাবে। গুণিতক হারে অর্থাৎ ৫,
১০, ১৫ ও ২০ শতাংশ রূপান্তরের সুযোগ থাকছে। এ বছরের
সুকুক শেয়ারে রূপান্তর-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট এরই
মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ রেকর্ড ডেট চলতি বছরের ২২ ডিসেম্বর। কোনো বছর সুকুক
শেয়ারে রূপান্তরের সুযোগ গ্রহণ না করলে সেটি পরবর্তী বছরেও করা যাবে। এ রূপান্তরের
মূল্য নির্ধারিত হবে রেকর্ড তারিখের আগের ২০ কার্যদিবসে ডিএসইতে বেক্সিমকোর
শেয়ারের ভারিত গড় মূল্যের ৭৫ শতাংশ। যদি কোনো বিনিয়োগকারী সুকুককে শেয়ারে রূপান্তর
করতে না চান, তাহলে পাঁচ বছরে ওই
সুকুকের অবসায়ন হবে।










