২০২৭ সালের মধ্যে ১ হাজার কোটি ডলারের মসলা রফতানি করতে চায় ভারত। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশটিকে ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে। সম্প্রতি ড্রিপ ক্যাপিটাল ইনকরপোরেশন পণ্যবাজার বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে খাতসংশ্লিষ্টদের এখনই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সব ধরনের মসলা পণ্য উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য গুণগত মানসম্পন্ন করে তুলতে হবে, যা এসব পণ্যের চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করবে।
বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বেশির ভাগ দেশ অর্গানিক পণ্য সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠছে। এসব দেশে অর্গানিক পদ্ধতিতে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের চাহিদা অব্যাহত বাড়ছে। ফলে উৎপাদন বাড়ানোর জন্য টেকসই উৎসের অনুসন্ধান এবং অর্গানিক চাষাবাদে দেশটিতে মনোযোগী হতে হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ড্রিপ ক্যাপিটালের সিইও পুশকার মুকেওয়ার বলেন, ভারতে ৭৫ থেকে ১০৯ জাতের মসলা উৎপাদন হয়। এর মধ্যে স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটায় ৮০ শতাংশ। বাকিটুকু রফতানি করা হয়।
তথ্য বলছে, বিদায়ী অর্থবছর ভারত ৪১৮ কোটি ডলারের মসলা রফতানি করেছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই শুকনো মরিচ, হলুদ ও জিরা। ২০২০-২১ অর্থবছরে ভারত ১৭৮ কোটি টন মসলা রফতানি করে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রফতানির পরিমাণ ছিল ১২০ কোটি টন।
মসলা বাণিজ্যে ভারতের সবচেয়ে বড় বাজার চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে চীন ভারত থেকে প্রধানত মরিচ ও জিরা আমদানি করে। যুক্তরাষ্ট্র আমদানি করে কারি পাউডার, পেস্ট ও মসলার তেল। এছাড়া বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রফতানি করা হয় আদা ও হলুদ। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কিছু মসলা রফতানি করে।










