ইস্পাত রফতানির লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে চীন। বন্দরে কার্গোজট ও লজিস্টিকস সংকটে ধাতুটির বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি মাসেও রফতানিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি আসবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশটির শুল্ক বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।
এপ্রিলে রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৯ লাখ ৭৭ হাজার টনে। তবে মার্চের তুলনায় রফতানি দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে।
চলতি বছরের প্রথম চার মাসে চীন ১ কোটি ৮১ লাখ ৫৬ হাজার টন পরিশোধিত ইস্পাত রফতানি করে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রফতানি ২৯ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনের প্রধান বন্দরগুলোয় কভিড-১৯ সংক্রান্ত বিধিনিষেধে লজিস্টিকস সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি।
সূত্র জানায়, চলতি মাসেও রফতানিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই। কারণ নির্ধারিত গন্তব্যে ইস্পাতের চালান পাঠাতে বিলম্ব হচ্ছে।
সূত্র জানায়, ফেব্রুয়ারির শেষ ও মার্চে যে পরিমাণ ক্রয়াদেশ এসেছে তাতে এপ্রিলে রফতানির পরিমাণ ৬০-৭০ লাখ টন ছাড়াতে পারত। কিন্তু বন্দরগুলোয় কার্গোজট থাকায় তা সম্ভব হয়নি।
উত্তর চীনের তাংসেন ও তিয়াংজিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও পূর্ব চীনের সাংহাই ও জ্যাংজিগ্যাংয়ের মতো বন্দরগুলো লকডাউনের কারণে এপ্রিলে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশের বাজারে চীনের ইস্পাতের চাহিদা এরই মধ্যে কমতে শুরু করেছে। লজিস্টিকস সংকট আরো বাড়লে ক্রেতারা চীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে।










