পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেডের ক্যাটাগরি বি থেকে এতে উন্নীত হয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ায় ক্যাটাগরি উন্নীত হয়। আগামী থেকে এটি কার্যকর হবে। গতকাল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২১ পয়সা। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৯ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১০ টাকা ৩১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে পরিচালক ও সহযোগী কোম্পানি বাদে কেবল সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করে রহিমা ফুড করপোরেশনের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৯ টাকা ৫৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৯ টাকা ২৯ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে বাকি শেয়ারহোল্ডারদের ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা।
কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২০ কোটি টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ২০০। এর ৩৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৪৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল শেয়ারটির সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১৮৮ টাকা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৮৭ টাকা ১০ পয়সা ও ২৯৪ টাকা।










