ডলারের বিপরীতে ইয়েন চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ আপাতত সুদহার বাড়ানো থামিয়েছে। এ কারণে জাপানের ব্যবসায়ীরা মনে করছেন যে দুই দেশের সুদহারের মধ্যে ব্যবধান কিছুটা কমবে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।
যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি কমেছে। ফেডের সুদহার বৃদ্ধি যে কাজ করেছে এটা তারই প্রমাণ।
নিম্ন সুদহারের কারণে ট্রেজারি ইল্ড কমেছে। চলতি সপ্তাহে ইয়েনের বিপরীতে ডলার প্রায় দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। এটি জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ সাপ্তাহিক দরপতন। ডলারের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশেরও বেশি বিনিময় হার বেড়েছে ইউরো ও পাউন্ডের।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ফেড সুদহার কমাবে। অক্টোবরে সাত মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো মার্কিন খুচরা বিক্রি কমেছে। বেকারত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন শ্রমবাজার শান্ত হয়েছে।
প্রতি ডলারে ১৫০ দশমিক ৭২ ইয়েন দরে লেনদেন হয়েছে, যা এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বিশ্লেষকরা জানান, ব্যাংক অব জাপান নেতিবাচক সুদহার অবসানের জন্য বাজারকে প্রাধান্য দিচ্ছে। জাপানের অতি নিম্ন সুদহার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ফেডের সুদহারের মধ্যে বিস্তৃত ব্যবধান ইয়েনকে চাপের মধ্যে রেখেছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ডলারের বিনিময় হার সাপ্তাহিক ১ দশমিক ৭ এবং ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে।










