পাকিস্তান-চীন জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্স চীনে চাল রফতানি দ্বিগুণ করার একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বছরে এক কোটি টন ইরি-৬ জাতের চাল চীনে রফতানি করার স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান। চীনের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর চাহিদার কথা মাথায় রেখে চাল উৎপাদন ও উন্নয়ন খাতে টেকসই উদ্যোগ নিলে এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট এসএম নাভিদ এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ট্রিবিউন
বিদায়ী উৎপাদন মৌসুমে চাল উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে পাকিস্তান। দেশটির চাল ব্যবহারের বার্ষিক চাহিদা ছিল ২৫ লাখ টন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশটি বর্তমানে চীনে চাল রফতানির প্রস্তুতি নিচ্ছে। উদ্বৃত্ত থেকে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টন চাল চীনে রফতানি করা হবে বলে জানান নাভিদ।
বিবৃতিতে নাভিদ বলেন, বর্তমানে পাকিস্তানি চালের প্রধান রফতানি গন্তব্য হয়ে উঠেছে চীন। গত দুই বছরে চীনের উদ্দেশে ধানের জাহাজীকরণ বেড়েছে প্রায় ২৪৪ শতাংশ। এটি চাল রফতানি বৃদ্ধির ইংগিত দিচ্ছে।
তিনি বলেন, পাকিস্তান-চীন জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্স চীনে চাল রফতানি দ্বিগুণ করার একটি নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। বছরে এক কোটি টন ইরি-৬ জাতের চাল চীনে রফতানি করার স্বপ্ন দেখছে পাকিস্তান। চীনের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর চাহিদার কথা মাথায় রেখে চাল উৎপাদন ও উন্নয়ন খাতে টেকসই উদ্যোগ নিলে এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।
বিবৃতিতে পাকিস্তান-চীন জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট দাউদ আহমেদ বলেন, পাকিস্তানে নতুন হাইব্রিড জাতের চাল উদ্ভাবন করা হয়েছে। পানি সংকট দেখা দিলেও স্বল্প ব্যয়ে এ চালের সর্বোচ্চ উৎপাদন সম্ভব।










