বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি মতিন স্পিনিং মিলস পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ১০৫ টাকা ৪০ পয়সা, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৮৩ টাকা ৪০ পয়সা। এতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক শেয়ারদর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

চলতি ২০২৬-২৭ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫১ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ২১ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ৪ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৯ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৭০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪ পয়সা।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে মতিন স্পিনিং মিলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে পুনর্মূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে মতিন স্পিনিং মিলস বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ৭৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৪ পয়সায়।

২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মতিন স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪৯১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার। এর ৩২ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।