পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনভয় টেক্সটাইলস লিমিটেডের গত সপ্তাহে ১১০ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাপ্তাহিক লেনদেনের ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ ছিল কোম্পানিটির দখলে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর দাঁড়িয়েছে ৮২ টাকা ৩০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এনভয় টেক্সটাইলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৩৩ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে এনভয় টেক্সটাইলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৩২ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৯৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫৭ পয়সায়।

এনভয় টেক্সটাইলসের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ১’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনভয় টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন ৪৭৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬৭ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭০০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৬৭। এর ৬৫ দশমিক ৪১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৭৫, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।