কভিড-১৯ মহামারী থেকে উত্তরণের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এভিয়েশন খাত দ্রুত বিস্তার করছে। ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) বলছে, কভিডের প্রভাব কমায় এয়ারলাইনস ও ট্রাভেল ইন্ডাস্ট্রি রেকর্ড গতিতে শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইনসগুলোর চলাচল আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে এয়ারলাইনসগুলোর ধারণক্ষমতা ৪০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে এবং লোড ফ্যাক্টর ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৮০ শতাংশ হয়েছে।
এদিকে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক ট্রাফিক ৮৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এশিয়া-প্যাসিফিক এয়ারলাইনস সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি দেখেছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ট্রাফিক বেড়েছে ৩৭৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এ অঞ্চলে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় গত কয়েক মাসে ইতিবাচক বৃদ্ধি ঘটেছে।
আইএটিএর মহাপরিচালক উইলি ওয়ালশ বলেছেন, অনিশ্চিত অর্থনীতির সংকেত থাকা সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বিমান ভ্রমণের চাহিদা অব্যাহত। করোনা-পরবর্তী সময়ের আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালের তুলনায় এভিয়েশন খাতের চাহিদা মাত্র ১৫ শতাংশ কম রয়েছে। এ ব্যবধান প্রত্যেক মাসে সংকুচিত হয়ে উঠছে। মানুষ এখন আরো বেশি বিমানে উঠছে। আমরা আশা করছি, বড়দিনের ছুটিতে বিশ্বের অনেক অংশ থেকে বিপুলসংখ্যক ভ্রমণকারী পাব।
তিনি আরো বলেন, ‘এয়ারলাইনসগুলোকে মহামারী পরিস্থিতি থেকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানো উচিত। একই সঙ্গে এয়ারপোর্ট, এয়ার নেভিগেশন সার্ভিস প্রোভাইডার ও এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি স্টাফসহ এয়ার ট্রাভেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি মাথায় রেখে গ্রাহকদের সুন্দর ভ্রমণ নিশ্চিতে প্রতিশ্রুত থাকা দরকার।’










