তালিকাভুক্ত কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশন লিমিটেডের সঙ্গে একটি এ২পি (অ্যাপ্লিকেশন-টু-পারসন) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির আওতায় কোম্পানিটি বাংলালিংকের এ২পি এগ্রিগেটর হিসেবে কাজ করবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) প্রদত্ত লাইসেন্সের আওতায় এ সেবা পরিচালিত হবে। কোম্পানিটি আশা করছে, এ চুক্তি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও রাজস্ব বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ১৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০৪ টাকা ৪৫ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৪ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। তবে স্টক লভ্যাংশে এখনো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মতি পায়নি কে অ্যান্ড কিউ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১০১ টাকা ৭২ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ৩ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৬ টাকা ৩৩ পয়সায়।
১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কে অ্যান্ড কিউ বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা।










