ইন্টারকন্টিনেন্টাল ফিউচারস এক্সচেঞ্জে (আইসিই) অপরিশোধিত চিনির ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য কমে চার মাসের সর্বনিম্নে নেমেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতিতে শ্ল্লথগতির আশঙ্কায় বর্তমানে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজার নিম্নমুখী। ফলে দাম কমছে জৈব জ্বালানিরও। মিল মালিকরা লোকসানের আশঙ্কায় আখ থেকে জৈব জ্বালানির পরিবর্তে চিনি উৎপাদন বাড়াচ্ছেন, যা দাম কমাতে সাহায্য করছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
তথ্য বলছে, অক্টোবর সরবরাহ চুক্তিতে আইসিইতে অপরিশোধিত চিনির দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। প্রতি পাউন্ডের দাম ১৭ দশমিক ৯২ সেন্টে স্থির হয়েছে। কার্যদিবসের শুরুতে পণ্যটির দাম পাউন্ডপ্রতি ১৭ দশমিক ৮৮ সেন্টে নেমে গিয়েছিল। অন্যদিকে আগস্টে সরবরাহ চুক্তিতে সাদা চিনির দাম কমেছে দশমিক ৬ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৫৫০ ডলার ৩০ সেন্টে।
ডিলাররা বলছেন, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম অনেক কমে যাওয়ায় আখ থেকে জৈব জ্বালানি উৎপাদনের চাহিদা কমে গিয়েছে। বিপরীতে মিল মালিকরা চিনি উৎপাদন বাড়াচ্ছেন। সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনায় দাম কমছে।
এদিকে নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে সেপ্টেম্বর সরবরাহ চুক্তিতে কোকোর দাম দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ২ হাজার ৩২৯ ডলারে। তবে সেপ্টেম্বর সরবরাহ চুক্তিতে অ্যারাবিকা কফির দাম দশমিক ৯ শতাংশ কমে পাউন্ডপ্রতি ২ ডলার ২২ সেন্টে নেমেছে। প্রতি টন রোবাস্তা কফির দাম ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৪ ডলারে নেমেছে।










