১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গতকাল প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সুশাসন জোরদার করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর কথাও জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া। ‘আস্থার আলো দেশজুড়ে’ শীর্ষক স্লোগানে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান, এফসিএমএ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম খানসহ বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জোন ও শাখা-উপশাখার কর্মকর্তারা অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে অংশ নেন।
আলী হোসেন প্রধানিয়া বলেন, ‘১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ব্যাংকের উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ২০১৩ সালের ২ এপ্রিল যাত্রা শুরু করা এনআরবিসি ব্যাংক চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর তুলনায় বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য সুশাসন নিশ্চিত করা, সেবার পরিধি বাড়ানো ও ব্যাংকের সুনাম বৃদ্ধি করা। ঋণ কার্যক্রম জোরদার ও খেলাপি ঋণ আদায় বৃদ্ধি করে মুনাফা বাড়ানোর মাধ্যমে আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনে আমাদের অঙ্গীকার—কুটির, অতিক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র খাতে ঋণ বিতরণ বাড়িয়ে এনআরবিসি ব্যাংককে গণমানুষের ব্যাংকে পরিণত করা। এ খাতে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৪০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।’
পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রসার ঘটানো হবে। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, ‘১৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আমাদের অঙ্গীকার—এনআরবিসি ব্যাংককে একটি অর্থবহ ও কমপ্লায়েন্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা এবং সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।’
তিনি জানান, ১৩ বছরে ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৫৯০ কোটি এবং ঋণের পরিমাণ ১৪ হাজার ৯৬২ কোটি টাকায়। এনআরবিসি ব্যাংকের অন্যতম শক্তি দেশব্যাপী বিস্তৃত পাঁচ শতাধিক শাখা-উপশাখা ও ছয় শতাধিক এজেন্ট ব্যাংকিং বুথ। ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ২১ লাখের বেশি। ক্ষুদ্র ও ন্যানো ঋণসহ বিভিন্ন সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটিকে মানুষের বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।










