২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ৬ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সামনে মন্দার আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় চাহিদার মূল চালকগুলো অক্ষত থাকার ফলেই এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সম্প্রতি এক গবেষণার ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান মরগ্যান স্ট্যানলি। খবর বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ডটকম।
ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে দেশটির অর্থনীতি পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়। সেই সময়েই খরচের বিষয়টিও চক্রাকার পুনরুদ্ধার হয়, স্বাস্থ্যকর ব্যালান্স শিটের সঙ্গে বেসরকারি করপোরেট ও আর্থিক খাতে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ বেড়ে যায় এবং সরকারের মূলধন খরচও বেড়ে যায় বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটিতে। এসব মিলিয়েই দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টের নোটে বলা হয়েছে, আমরা বিশ্বাস করি টেকসই দেশজ চাহিদার মূল চাবিকাঠি হলো মূলধন খরচ বেড়ে যাওয়া। ফলে আরো বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি ভার্চুয়ালি আরো বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি হয়। যাতে আয় বাড়ে। এতে সঞ্চয়ের পরিমাণ আরো বেড়ে যায় এবং তাতে বিনিয়োগও বাড়ে।
এর আগে ইউনিয়ন বাজেটও পূর্বাভাস দিয়েছিল ২০২৪ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ, আর ২০২২-২৩ সালের দি ইকোনমিক সার্ভে পূর্বাভাস দিয়েছিল, ২০২৪ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ থেকে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।










