পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডার অন্যতম শীর্ষ রফতানিপণ্য কফি। সম্প্রতি দেশটির ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (এনএইডিবি) ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির (গ্রিন কফি) রফতানির চিত্র উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রুয়ান্ডা থেকে কফি রফতানি ও পানীয় পণ্যটির রফতানি বাবদ দেশটি আয় দুটোই কমতির দিকে ছিল। পূরণ হয়নি পানীয় পণ্যটির রফতানি লক্ষ্য। খবর অলআফ্রিকাডটকম।

এনএইডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রুয়ান্ডা থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭২৩ টন গ্রিন কফি রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি কমেছে ৬ শতাংশ।

একই সময় গ্রিন কফি রফতানি করে রুয়ান্ডার রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ৬ কোটি ৪ লাখ ডলার বা ৫ হাজার ৭০০ কোটি রুয়ান্ডান ফ্রাঙ্ক আয় করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে পানীয় পণ্যটি রফতানি বাবদ তাদের আয় কমেছে ১১ শতাংশ। অর্থের হিসাবে এর পরিমাণ বা ৭৬ লাখ ডলার বা ৭০০ কোটি রুয়ান্ডান ফ্রাঙ্ক।

এনএইডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে রুয়ান্ডা থেকে সব মিলিয়ে ২৬ হাজার টন গ্রিন কফি রফতানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা ছিল। পানীয় পণ্যটি রফতানি করে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশটির রফতানিকারকদের ৮ কোটি ডলার আয়ের লক্ষ্য ছিল। অর্থবছর শেষে দুটো লক্ষ্যই অপূর্ণ রয়ে গেছে।

এদিকে ২০২৪ সালের মধ্যে বছরে ৩১ হাজার টন গ্রিন কফি রফতানির নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে রুয়ান্ডা সরকার। এর মধ্য দিয়ে দেশটি বছরে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে চায় বলে জানিয়েছে এনএইডিবি।