বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির বাজার বিকাশে জোর দিচ্ছে জাপানের প্রধান অটোমেকাররা। বৈশ্বিক বাজারে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। মার্কিন, ইউরোপীয় ও চীনা গাড়ি নির্মাতারা ইভি বাজারে আধিপত্য বজায় রেখেছে। যার কারণে জাপানি অটোমোবাইল শিল্পের সম্ভাব্য পতনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খবর দ্য জাপান টাইমস।
জাপানি ইভির ব্র্যান্ড ভ্যালুকে উন্নত করার চাবিকাঠি হিসেবে দেখা হয় ব্যাটারির মতো ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে। টয়োটার প্রেসিডেন্ট কোজি সাতো বলেন, ‘আকর্ষণীয় ইভি তৈরি করতে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
২০২৬ সালের মধ্যে ১০টি ইভি মডেল প্রকাশ এবং বার্ষিক ১৫০ লাখ ইউনিট বিক্রির একটি নতুন লক্ষ্য ঘোষণা করেছে টয়োটা। এর অংশ হিসেবে ফার্মটি তার সাংগঠনিক কাঠামোকেও শক্তিশালী করেছে।
গবেষণা সংস্থা মার্কলাইন কোংয়ের মতে, ইউএসভিত্তিক টেসলা ২০২২ সালে ১২ লাখ ৬৮ হাজার ইউনিট বিক্রি করে বিশ্বব্যাপী ইভি শিল্পের নেতৃত্ব দিয়েছে। চীনের বিওয়াইডি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, তারপর রয়েছে অন্যান্য মার্কিন, ইউরোপীয় ও চীনা গাড়ি নির্মাতারা।
টয়োটা গ্রুপের ডাইহাতসু মোটর ও হিনো মোটরস শুধু ২০ হাজার ইউনিট বিক্রি করেছে, যা মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ বাজার শেয়ার।
বিশ্ব একটি কার্বনমুক্ত সমাজে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য ইভির ওপর পুরোপুরি জোর দিতে চাচ্ছে। অন্যান্য জাপানি অটোমেকাররাও চ্যালেঞ্জের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। হোন্ডা মোটরের লক্ষ্য ২০৪০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী বিক্রি হওয়া সব যানবাহন ইভি এবং হাইড্রোজেনচালিত জ্বালানি সেল গাড়ি হবে। সুবারু আগামী পাঁচ বছরে আটটি ইভি মডেল প্রদর্শন করার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইভি উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করেছে। নিশান মোটর এ শরতে একটি নতুন কৌশল ঘোষণার কথা রয়েছে। জুলাইয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনে নিশানের প্রেসিডেন্ট মাকোতো উচিদা জানান, তার কোম্পানি পণ্যের লাইনআপকে শক্তিশালী করবে এবং প্রতিযোগিতা বাড়াবে।










