সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে আরো ২১টি ফ্লাইট বাড়ানোর চুক্তি ঘোষণা করা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ বাড়াতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী তাদের সংযোগ উন্নত হবে এবং দেশ দুটির মধ্যে পর্যটন ও বাণিজ্য কার্যক্রম বাড়বে। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কানাডার মধ্যে অনুমোদিত ফ্লাইট সংখ্যা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ ২১টি ফ্লাইট প্রতি সপ্তাহে সহজলভ্য থাকবে।
উড়োজাহাজ পরিবহন চুক্তির বিষয়ে কানাডার পরিবহনমন্ত্রী ওমর আলঘাবরা উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে কানাডার বৃহত্তম উড়োজাহাজ পরিবহন বাজার হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। অতিরিক্ত ফ্লাইট নতুন রুটে চলাচল সহজতর করবে এবং বাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এয়ারলাইনসগুলো আরো নমনীয় হবে।
১৯৯৯ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে কানাডার উড়োজাহাজ পরিবহন চুক্তি হয়েছিল। পরে ২০১৮ সালে তা বর্ধিত হয়। চলতি বছরের এপ্রিলে আবার নতুন চুক্তি হলো।
ওমর আলঘাবরা বলেন, ‘কানাডা-ইউনাইটেড আরব আমিরাত এয়ার ট্রান্সপোর্ট চুক্তির এ সম্প্রসারণ কানাডার আন্তর্জাতিক সংযোগ উন্নত করবে। মানুষের সঙ্গে মানুষ ও বাণিজ্যিক সংযোগ বাড়াবে। এটি পর্যটনের জন্য সুসংবাদ। কানাডিয়ানদের জন্য মধ্যমানের ভালো চাকরির সুযোগ।’
কানাডার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, রফতানি প্রচার, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রী মেরি এনজি বলেন, ‘কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি বিস্তৃত ও গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যার মূলে রয়েছে মানুষে মানুষে দৃঢ় সম্পর্ক ও বাণিজ্য-বিনিয়োগ সংযোগ।’
অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে কানাডায় নতুন ফ্লাইট ঘোষণা করতে এমিরেটস কোনো সময় নষ্ট করেনি। গত শুক্রবার এয়ারলাইনসটি জানিয়েছে, ২০ এপ্রিল থেকে কানাডার টরন্টোতে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
এমিরেটসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যাত্রীদের বিশাল চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে দুবাই ও টরন্টোর মধ্যে প্রতি সপ্তাহে দুটি অতিরিক্ত ফ্লাইট যোগ করবে।
এমিরেটসের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আদনান কাজিম বলেন, ‘আমরা ২০০৭ সাল থেকে টরন্টো ও দুবাইয়ের মধ্যে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে আসছি। যদিও ডাবল ডেকার এ৩৮০ এয়ারক্রাফট ২০০৯ সাল থেকে রুটটি পরিচালনা করছে। তবে করপোরেট, প্রবাসী, শিক্ষার্থী ও অবসরপ্রাপ্ত ভ্রমণকারীর সংখ্যা বাড়ায় এটির ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। বর্ধিত চুক্তিটি গ্রাহকদের আরো ভালো পরিসেবা দেয়ার জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট।’










