নিত্যনতুন উদ্ভাবন পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাই। সম্প্রতি দুবাই ফিউচার ল্যাব ও লাইভ গ্লোবালের সহযোগিতায় বিশেষায়িত সাসটেইনেবল সিটিতে পণ্য ডেলিভারির জন্য স্বয়ংক্রিয় রোবট ব্যবহারের পাইলট প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে। এর আওতায় দুবাই ফিউচার ল্যাবে তৈরি তিনটি রোবট প্লাজা এলাকার রেস্তোরাঁ ও দোকান থেকে বাসিন্দাদের ডেলিভারি পরিষেবা দিচ্ছে। এ প্রকল্প প্রসঙ্গে দুবাই ফিউচার ল্যাবের পরিচালক খালিফা আল কামা বলেন, ‘এ উদ্ভাবনী রোবটগুলোর নকশা এমনভাবে করা হয়েছে যাতে মাত্র ৩০ মিনিটেরও কম সময় বা একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্যের দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। রোবটগুলো নিরাপদে ও দক্ষতার সঙ্গে চলাফেরা করতে পারে। চার্জিং স্টেশন খুঁজে নেয়ার সক্ষমতা আছে তাদের এবং রোবটগুলো চালনা করতে মানুষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ ডেলিভারি রোবটগুলো দুবাই রোবোটিকস ও অটোমেশন প্রোগ্রামের উদ্দেশ্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।’ রোবটগুলোয় রিয়েলটাইম ট্র্যাকিংসহ একটি ফ্লিট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, একটি ব্যাকএন্ড অর্ডার পূরণের সিস্টেম এবং শুধু গ্রাহকরা ব্যবহার করতে পারবেন এমন একটি নিরাপদ ডেলিভারি কম্পার্টমেন্ট রয়েছে। এ বিষয়ে প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত এসইই হোল্ডিংয়ের এনজেডই সলিউশনসের জিএম ফাদি আলফারিস বলেন, ‘আমরা সফলভাবে সাসটেইনেবল সিটিতে উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয় সৃষ্টি করতে পেরেছি। দুবাইয়ের সাসটেইনেবল সিটি বিভিন্ন ধারণা ও সমন্বিত সমাধান প্রায়োগিকভাবে যাচাই করছে। শহরটি স্বয়ংক্রিয় ডেলিভারি রোবট এবং ভবিষ্যতে তাদের কার্যকারিতা পরীক্ষার একটি আদর্শ স্থান।’ ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫ শতাংশ যাতায়াতকে চালকবিহীন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দুবাই। এরই সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে সাজানো হয়েছে সাসটেইনেবল সিটির পরিকল্পনা। বিশ্বের সবচেয়ে স্মার্ট শহর হিসেবে সাসটেইনেবল সিটিকে গড়ে তুলতে চায় দুবাই। খবর ও ছবি অ্যারাবিয়ান বিজনেস