মূল্যস্ফীতি, খরা ও রক্ষণাবেক্ষণের সমস্যার কারণে উৎপাদন কমিয়েছে বিশ্বের অনেক মাইনিং প্রতিষ্ঠান। সবশেষ এ তালিকায় যুক্ত হয়েছে লন্ডনে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আন্তোফাগাস্তা। খননকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন ঘোষণার কারণে বিশ্ববাজারে বেড়ে গিয়েছে তামার দাম।

বছরের শুরুতে তামা উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল, সেখান থেকে সরে এসেছে আন্তোফাগাস্তা। প্রথমে তামা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ লাখ ৬০ হাজার টন থেকে ৬ লাখ ৯০ হাজার টন। তবে তা এখন কমিয়ে ৬ লাখ ৪০ হাজার টন থেকে ৬ লাখ ৬০ হাজার টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। অবশ্য কারণ হিসেবে মাটির নিচের পানির পাইপলাইনে অনাকাঙ্ক্ষিত ফাটলের কথা বলা হচ্ছে।

এছাড়া উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার জন্য ক্রমবর্ধমান ডিজেলের দামসহ অন্যান্য সূচকের মূল্যবৃদ্ধির কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এক বিবৃতিতে  আন্তোফাগাস্তা বলেছে, জুলাইয়ে প্রবল বৃষ্টি হলেও এ মৌসুমের খরা এখনো কাটেনি। পানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে তা খননকাজে প্রভাব ফেলবে।

তামা এমন একটি ধাতু যেটির বিবিধ ব্যবহার হয়। শিল্প খাতে ব্যবহার থেকে শুরু করে গৃহস্থালির পণ্য, বৈদ্যুতিক গাড়ি ইত্যাদি কাজে তামা ব্যবহূত হয়। উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে এ ধাতুটির দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত বুধবার টনপ্রতি তামার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৪৭৩ ডলার। মূলত সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগই তামার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।