ভারতে ভোক্তা পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি কমেছে। মে মাসে এ মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে নেমে আসে। এর কারণ হিসেবে খাদ্য ও জ্বালানির দাম কমাতে সরকারের নেয়া উদ্যোগের কথা বলা হচ্ছে। পাশাপাশি সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার শুল্কহ্রাস ও রেপো রেট বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানোর পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হচ্ছে। খবর দ্য প্রিন্ট।

টানা পাঁচ মাস ধরে ভোক্তা পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের ওপরে ছিল, যা রিজার্ভ ব্যাংকের সহনশীল মাত্রার চেয়ে বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত এটিই ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রেপো রেট বাড়াতে উৎসাহী করেছে। গত সপ্তাহের শুরুতে মাসিক নীতি পর্যালোচনায় বেঞ্চমার্ক রেপো রেট বাড়ানো হয়।

কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সভিত্তিক (সিপিআই) খুচরা মূল্যস্ফীতি গত এপ্রিলে ছিল ৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ। ২০২১ সালের মে মাসে এ মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। খাবারের ক্ষেত্রে চলতি বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। এর আগের মাসে যা ছিল ৮ দশমিক ৩১ শতাংশ।

এরই মধ্যে ভারত সরকার সয়াবিন ও সূর্যমুখীর তেলের মতো ভোজ্যতেল আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে দিয়েছে। যাতে করে ভোক্তার ওপর থেকে চাপ কিছুটা কমে যায়। যার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যানে।