শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক পিএলসির ৭০০-তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে গতকাল এ সভার আয়োজন করা হয়। পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় পর্ষদ সদস্যরা ব্যাংকের চলমান কার্যক্রম, আর্থিক সূচক ও ভবিষ্যৎ কৌশল বাস্তবায়ন বিষয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ও ব্যাংকের পরিচালক মুন্সী আব্দুল আহাদ, আর্থিকপ্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব ও পরিচালক শেখ ফরিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. মতিউর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল আহাদ, অবসরপ্রাপ্ত গ্রেড-১ কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল, পরিচালক এসএম ইকবাল হোছাইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও বেসিক ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের পর্যবেক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংকের এমডি ও সিইও মো. কামরুজ্জামান খান, কোম্পানি সচিব মো. হাসান ইমাম এবং সিএফও সাইদুর রহমান সোহেল।
পর্ষদ সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বেশ কয়েকটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ সময় জানানো হয়, নতুন পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের প্রতি গ্রাহক আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরইমধ্যে সরকারি-বেসরকারি খাতে বিপুলসংখ্যক নতুন চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হয়েছে, যা আমানত প্রবাহে ইতিবাচক গতি সৃষ্টি করেছে।
সভায় আরো জানানো হয়, বেসিক ব্যাংকের সিআরআর উদ্বৃত্ত রয়েছে ও এসএলআর সংরক্ষণ পরিস্থিতি মানদণ্ডের কাছাকাছি। আইনী বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ খেলাপি ঋণ আদায় হয়েছে, যা সামগ্রিক ঝুঁকি হ্রাসে ভূমিকা রাখছে। পর্ষদ আশা প্রকাশ করে যে, আগামী ডিসেম্বর ২০২৫ নাগাদ ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ১১ শতাংশ কমে আসবে।
চলতি বছরের আর্থিক অগ্রগতির বিষয়ে সভায় বলা হয়, বছরব্যাপী ঋণ আদায়, আমানত সংগ্রহসহ বিভিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে ও কৃচ্ছতা সাধনের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার লোকসান কমানোর লক্ষ্য পূরণের পথে রয়েছে। পরিচালনা পর্ষদ এসব অর্জনকে ব্যাংকের পুনরুদ্ধার যাত্রায় ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।










