সিঙ্গাপুরে বাড়ি বিক্রি ছয় মাসের সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। এটি সরকার আরোপিত সম্পত্তি নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কভিডের বিপর্যয় কাটিয়ে নগর রাজ্যটির পুনরুজ্জীবিত অর্থনীতিতে বাসস্থানের চাহিদা বাড়ছে। খবর ব্যাংকক পোস্ট।

গতকাল প্রকাশিত আরবান রিডেভেলপমেন্ট অথরিটির পরিসংখ্যান অনুসারে, মে মাসে বেসরকারি অ্যাপার্টমেন্টের বিক্রি বেড়ে ১ হাজার ৩৫৬ ইউনিটে পৌঁছেছে। এ সংখ্যা আগের মাসের লেনদেনের দ্বিগুণেরও বেশি। পাশাপাশি এটি গত বছরের নভেম্বরের পর সর্বোচ্চ। সে সময় ১ হাজার ৫৪৭টি নতুন ইউনিট বিক্রি হয়েছিল।

সিঙ্গাপুরে বাড়ি বিক্রির এ বৃদ্ধি দমিত চাহিদাকে প্রতিফলিত করে। এটি তুলে ধরেছে গত ডিসেম্বরে প্রবর্তিত সম্পত্তি খাতে শীতলতা আনার ব্যবস্থাগুলো কেবল অস্থায়ী সমাধান দিতে পারে। এ ব্যবস্থার কারণে চলতি বছরের শুরু থেকে বাড়ি বিক্রি ধীর হয়েছিল। এ কারণে শহরটিতে বিক্রিযোগ্য নতুন বাড়ির সংখ্যাও রেকর্ড নিম্ন পর্যায়ে চলে গিয়েছে। এটি রিয়েল এস্টেট খাতে শীতলতা আনয়নে সরকারের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করার হুমকি দিচ্ছে।

রিয়েল এস্টেট খাতের পরিষেবা সংস্থা অরেঞ্জটি অ্যান্ড টাইয়ের গবেষণা ও বিশ্লেষণ বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস্টিন সান বলেন, গত মাসে দুটি বড় প্রকল্প চালুর মাধ্যমে বাড়ি বিক্রিতে গতি ফিরেছিল। তবে রিয়েল এস্টেট খাতের স্বাভাবিক প্রবণতা হলো বাজার ধীর হওয়ার পর সেটা পুনরুদ্ধার হতে দুই থেকে ছয় মাস সময় লাগে।

যেমন ২০১৮ সালের জুলাইয়ে সিঙ্গাপুরের আবাসন বাজারে শীতলতা আনার ব্যবস্থা কার্যকরের পরে নভেম্বরে বাড়ি বিক্রি আগের মাসের তুলনায় ১৩৯ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছিল। একইভাবে বাড়ির মালিকদের ঋণ নিতে সীমা বেঁধে দেয়ার দুই মাস পরে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে নতুন অ্যাপার্টমেন্টের বিক্রি ৬৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছিল।