স্পিরিট অ্যারোসিস্টেমের সাম্প্রতিক শ্রম চুক্তি বিমানের উৎপাদন খরচ বাড়াতে পারে কিনা সে বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন বোয়িং কর্মকর্তারা। সম্প্রতি মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক বিবরণ প্রকাশ করার কথা। প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিষয়টি সামনে এল। খবর রয়টার্স।
বোয়িংয়ের যাত্রীবাহী জেটের ফুসেলেজের অংশ প্রস্তুত করে মার্কিন কোম্পানি স্পিরিট। প্রতিষ্ঠানটির উইচিটা-কানসাসভিত্তিক সদর দপ্তরের কর্মীরা ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়ার এক সপ্তাহ পর গত ২৯ জুন মেশিনিস্ট ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছেছে। চুক্তির পর ৫ জুলাই পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়।
বিশ্লেষকরা বলেছেন, বিনিয়োগকারীরা চার বছরে অন্তত ২৩ দশমিক ৫ শতাংশ মজুরি বাড়ানোর চুক্তির বিষয়ে জানতে চাইবেন। বিশেষ করে এর ফলে বোয়িংয়ের দামও বাড়বে কিনা সেটি নিশ্চিত করা হবে।
এজেন্সি পার্টনারসের মহাকাশ বিশ্লেষক নিক কানিংহাম বলেন, ‘আসলে স্পিরিট আমাদের যা বলেছিল তা হলো দক্ষ শ্রমিকদের খরচের ব্যাপারে, যা অনেক বেড়েছে।’
অ্যারোডায়নামিক অ্যাডভাইসরিজের বিশ্লেষক রিচার্ড আবুলাফিয়া বলেন, ‘উড়োজাহাজ উৎপাদকরা সাধারণত চুক্তিভিত্তিক সম্প্রসারণ ধারার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম। এতে ক্রমবর্ধমান খরচের চাপ এয়ারলাইনসগুলোর ওপরেই পড়ে। এ ধারাগুলোর এখন ছাঁদ ছুয়েছে। স্পিরিট চলতি বছর অর্থ খরচ করার চিন্তা করছে। তবে তারা উচ্চ শ্রম খরচ বহন করতে আর্থিকভাবে ব্যর্থ হতে পারে।’










