এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ১৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ কমেছে। আলোচ্য সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৩৯ কোটি ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দৈনিক গড় হিসাবে লেনদেন ছিল ৭ কোটি ৮৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর এমারাল্ড অয়েলের শেয়ারদর ছিল ১৬৯ টাকা ৮০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ১১১ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারের দর ২৮ টাকা ১০ পয়সা থেকে ১৮৮ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। 

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এমারাল্ড অয়েলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৩৬ পয়সা। আর গত হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ১৪ পয়সা। এ বছরের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২০ পয়সায়। আগের হিসাব বছরের ৩০ জুন শেষে এ দায় ছিল ১২ টাকা ৮৫ পয়সায়। 

২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা ও পরিচালক বাদে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা। 

২০১১ সালে স্পন্দন ব্র্যান্ডের রাইস ব্র্যান অয়েল (চালের কুঁড়ার তেল) উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে ব্যবসায় নেমেছিল এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ। তিন বছরের মাথায় ২০১৪ সালে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানিটি। এর এক বছরের মধ্যেই বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির মামলায় জড়িয়ে পড়েন কোম্পানিটির উদ্যোক্তারা। জামিন নিয়ে উদ্যোক্তারা বিদেশ পালিয়ে গেলে ক্ষতির মুখে পড়েন কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীরা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত বছরের ৯ জানুয়ারি থেকে আবারো বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ।