পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক হাজি মো. শামসুল আলম ব্যাংকটির তিন লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল মার্কেটের মাধ্যমে বিদ্যমান বাজারদরে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার কিনবেন তিনি। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০০৩ সালে তালিকাভুক্ত স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬৬৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০৬ কোটি ২০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭৩। এর মধ্যে ৩৬ দশমিক ১৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া ২৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ৩৩ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৩৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গতকাল ব্যাংকটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৮ টাকা ৬০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে দর ৮ টাকা ৬০ ও ৯ টাকা ৩০ পয়সা।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১২ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৬৬ পয়সা।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মোট ৫ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে আড়াই শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ স্টক। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৬ টাকা ৬৭ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৬ টাকা ২৪ পয়সা। (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক। এর মধ্যে ৩ শতাংশ স্টক ও ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আগের হিসাব বছরে আড়াই শতাংশ নগদের পাশাপাশি আড়াই শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।










