দীর্ঘদিন ধরে চাল রফতানি বাড়িয়েই চলেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়া। এতদিন হংকং, চীন ও ইউরোপের বাজারে চাল রফতানি করে আসছিল দেশটি। তবে নতুন করে দক্ষিণ আফ্রিকার বাজারে চাল রফতানি করতে যাচ্ছে কম্বোডিয়া। এরই মধ্যে এ বিষয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইও করে ফেলেছে দেশটির রফতানিকারক একটি প্রতিষ্ঠান। খবর নমপেন পোস্ট।
কম্বোডিয়ার অন্যতম চাল রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেকং ওরিযা ট্রেডিং কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটি আগামী তিন বছরের মধ্যে চীন, আফ্রিকা ও ইউরোপে এক লাখ টন চাল রফতানি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি হংকং ও দক্ষিণ আফ্রিকার দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এ সমঝোতা চুক্তি করেছে মেকং ওরিযা। এ সময় দেশটির কৃষি, বন ও মংস্য খাত বিষয়কমন্ত্রী ভেং সেকহন উপস্থিত ছিলেন।
ভেং সেকহন বলেন, দেশ দুটির সঙ্গে এ সমঝোতা চীন, ইউরোপের পাশাপাশি নতুন করে আফ্রিকার বাজারে কম্বোডিয়ার চাল রফতানি বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
মেকং ওরিযার সভাপতি হান লেক বলেন, চলতি মাসের শেষের দিকে প্রাথমিক চালান হিসেবে তিন থেকে পাঁচ হাজার টন চাল জাহাজীকরণের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। দ্বিতীয় চালানে ৭০ হাজার টন। বাকি চাল তৃতীয় চালানের মাধ্যমে দ্রুত সরবরাহ করা হবে।
চীনের বাইরে নতুন নতুন বাজারে চাল রফতানির পরিকল্পনার কথা জানিয়ে হান লেক জানান, আন্তর্জাতিক চালের বাজারে প্রতিযোগিতার যোগ্য হিসেবে তারা দ্রুত নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে চান।
কম্বোডিয়ার রাইস ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে দেশটির চাল রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬৮ টনে। মূলত চীনের বাজারে রফতানি বাড়ায় মোট রফতানি এ সময় বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় ফেডারেশনের ওই প্রতিবেদনে। এ সময় চীনের বাজারে কম্বোডিয়ার চাল









